ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
RTN News

এমপিও শিক্ষকদের ভোটে রাখা নিয়ে প্রশ্ন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি


প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

এমপিও শিক্ষকদের ভোটে রাখা নিয়ে প্রশ্ন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটে রাখবে না ইসি? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটাধিকার থেকে বাইরে রাখার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক প্রার্থী হলে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের নিয়েও বিতর্ক তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছে কমিশন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হলে একই সঙ্গে তাঁদের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে হয়। এতে তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে নিরপেক্ষ, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন শেষ করা। শিক্ষকরা সবার সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁরা যেন বিতর্কিত না হন।’

তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক নির্বাচনে প্রার্থী হলে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর পক্ষে কাজ করতে পারেন। আবার ভোটের সময় তাঁদেরই প্রিসাইডিং বা পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হয়। ফলে এ ক্ষেত্রে বিতর্কের সুযোগ তৈরি হয়।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটাধিকার বহাল রাখাসহ নয়টি দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অরাজনৈতিক (নির্দলীয়) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই বলেও মন্তব্য করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন ছাড়া অরাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন করা হবে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘অরাজনৈতিকভাবে নির্বাচন তো হতেই হবে। যেহেতু আইন রয়েছে। সেখানে কি এই বিষয়টা আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলার সুযোগ আছে? বলার সুযোগ তো নেই।’

নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের সুপারিশও রাখা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকলে তাঁদের কেউ প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি ভোট গ্রহণের দায়িত্বেও থাকতে পারেন। এ কারণেই তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবা হচ্ছে।

বিষয় : ইসি

RTN News

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এমপিও শিক্ষকদের ভোটে রাখা নিয়ে প্রশ্ন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটে রাখবে না ইসি? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটাধিকার থেকে বাইরে রাখার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক প্রার্থী হলে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের নিয়েও বিতর্ক তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছে কমিশন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হলে একই সঙ্গে তাঁদের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে হয়। এতে তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে নিরপেক্ষ, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন শেষ করা। শিক্ষকরা সবার সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁরা যেন বিতর্কিত না হন।’

তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক নির্বাচনে প্রার্থী হলে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর পক্ষে কাজ করতে পারেন। আবার ভোটের সময় তাঁদেরই প্রিসাইডিং বা পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হয়। ফলে এ ক্ষেত্রে বিতর্কের সুযোগ তৈরি হয়।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটাধিকার বহাল রাখাসহ নয়টি দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অরাজনৈতিক (নির্দলীয়) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই বলেও মন্তব্য করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন ছাড়া অরাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন করা হবে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘অরাজনৈতিকভাবে নির্বাচন তো হতেই হবে। যেহেতু আইন রয়েছে। সেখানে কি এই বিষয়টা আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলার সুযোগ আছে? বলার সুযোগ তো নেই।’

নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের সুপারিশও রাখা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকলে তাঁদের কেউ প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি ভোট গ্রহণের দায়িত্বেও থাকতে পারেন। এ কারণেই তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবা হচ্ছে।


RTN News

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪
এমপিও শিক্ষকদের ভোটে রাখা নিয়ে প্রশ্ন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি
0:00 0:00
1.0x