ঢাকা    শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
RTN News

চালুর মাস না পেরোতেই ঝুঁকিতে ৮১ লাখ টাকার সেতু, ভারী বৃষ্টিতে ভেঙেছে গাইড ওয়াল

চালুর মাস না পেরোতেই ঝুঁকিতে ৮১ লাখ টাকার সেতু, ভারী বৃষ্টিতে ভেঙেছে গাইড ওয়ালউপশিরোনাম: খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড়ি খরস্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়কও; যান চলাচলে দুর্ভোগপ্রতিবেদন: খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি এলাকার তালতলা-মলঙ্গীপাড়া সড়কে মলঙ্গীপাড়া ছড়ার ওপর ৮১ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু চালুর এক মাসও পেরোতে না পেরোতেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি খরস্রোতের তোড়ে সেতুর একটি গাইড ওয়াল ভেঙে গেছে। একই সঙ্গে সংযোগ সড়কের দুই পাশের মাটি ও ইট ধসে পড়ায় নিরাপদ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে এমএস এবি কনস্ট্রাকশন, খাগড়াছড়ি। কাজের তদারকিতে ছিল উপজেলা পিআইও অফিস। গত ৩০ জুন সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাজী মাসুদুর রহমান বলেন, "নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম বা ত্রুটি ছিল না। নতুন ভরাট করা মাটি এবং পাহাড়ি খরস্রোতের চাপে গাইড ওয়ালটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঠিকাদারের জামানত থাকায় গাইড ওয়াল পুনর্নির্মাণ এবং সংযোগ সড়ক মেরামতের সুযোগ রয়েছে।"এদিকে টানা বর্ষণে মানিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সড়কেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা সদর-বাটনাতলী ইউনিয়ন সড়কের পান্নাবিল এলাকায় পাকা সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। এছাড়া পান্নাবিল মন্দির সড়কের বড় একটি অংশ ভেঙে পড়ায় উভয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া। তিনি জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সচল করতে অস্থায়ী ও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কর্মহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

চালুর মাস না পেরোতেই ঝুঁকিতে ৮১ লাখ টাকার সেতু, ভারী বৃষ্টিতে ভেঙেছে গাইড ওয়াল