ইরানের ‘মশা নৌবহর’ নিয়ে পুতিনের প্রশংসা, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত
ইরানের ‘মশা নৌবহর’ নিয়ে পুতিনের প্রশংসা, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিতমধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের ব্যবহৃত ‘মশা নৌবহর’ (Mosquito Fleet) কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছোট আকার, উচ্চ গতি এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এসব নৌযান ভবিষ্যতের নৌযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।গত রোববার রুশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান ছোট আকারের হলেও অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত নৌযান ব্যবহার করে কার্যকর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দেখিয়েছে।পুতিনের ভাষায়, “মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে তাকান। ইরান তাদের ‘মশা নৌবহর’ ব্যবহার করে বেশ কার্যকরভাবে যুদ্ধ করেছে। এটি নতুন প্রযুক্তির একটি উদাহরণ। আমাদের কাছেও ছোট টননেজের জাহাজ রয়েছে, তবে সেগুলোও অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।”রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ‘মশা নৌবহর’-এ রয়েছে প্রায় ২০টি গাদির-শ্রেণির ক্ষুদ্র সাবমেরিন এবং হাজার হাজার দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ও হামলাকারী স্পিডবোট।বিশ্লেষকদের মতে, ছোট আকার, উচ্চ গতি এবং উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতার কারণে এসব নৌযান বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দ্রুত হামলা চালিয়ে অল্প সময়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সক্ষমতা এ কৌশলকে আরও কার্যকর করে তুলেছে।
এছাড়া ইরানের পাথুরে উপকূলে নির্মিত ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও ঘাঁটিতে এসব নৌযান লুকিয়ে রাখা সম্ভব হওয়ায় দূরপাল্লার হামলায় এগুলোকে শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তু করা কঠিন বলে মনে করা হয়। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য যেকোনো নৌসংঘাতে এই নৌবহর বড় শক্তিগুলোর জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।