১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আল-আমিনের, দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার শঙ্কা
১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আল-আমিনের, দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার শঙ্কাজাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষা শেষ হয়েছিল গত বছর। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরার আগেই বড় ধাক্কা খেলেন বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড আল-আমিন। গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে হাতাহাতির ঘটনায় তাঁকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ফিফার শাস্তির চিঠি পেয়েছে। আল-আমিনও জানিয়েছেন, তিনি নিজেও চিঠিটি হাতে পেয়েছেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে। তাঁর আশা, আপিলের মাধ্যমে শাস্তির মেয়াদ কমতে পারে।১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাকে অবশ্য অনেক বেশি মনে করছেন আল-আমিন। একই ঘটনায় অন্যদের তুলনামূলক কম ম্যাচ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁর ক্ষেত্রে কেন এত বড় শাস্তি দেওয়া হলো।আজকের পত্রিকাকে আল-আমিন বলেন, ‘আমি ভুল করেছি, ভুল স্বীকার করেছি। সবই ঠিক আছে। আমি দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছি। কিন্তু ১৫ ম্যাচ অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে না? আমার তো দুই বছর চলে যাবে।’জাতীয় দল বছরে সাধারণত সাত-আটটির বেশি ম্যাচ না খেলায় ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার অর্থ দাঁড়ায় প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে থাকা। ফলে আগামী সময়ে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে আল-আমিনকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক দলের সঙ্গে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের উত্তেজনা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বাফুফে তদন্ত কমিটিও গঠন করেছিল। এর আগে একই ঘটনায় বাংলাদেশের ম্যানেজার ও মিডফিল্ডার মিরাজুলকেও শাস্তি দিয়েছিল ফিফা।এখন আল-আমিনের নিষেধাজ্ঞা কমাতে বাফুফে আপিল করবে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।