শিক্ষার্থী আহতের প্রতিবাদে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ
শিক্ষার্থী আহতের প্রতিবাদে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধবরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং নিরাপদ সড়কসহ চার দফা দাবিতে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন তারা। অবরোধের কারণে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মহাসড়কটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল।এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজ এলাকায় বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হন।আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত গুরুতর আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি তুলে ধরেন।শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো— আহত শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে; আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মহাসড়ক মেরামত করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রূপাতলী পর্যন্ত সার্বক্ষণিক বাসের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের উভয় পাশে ফুটপাত নির্মাণ ও চালু করতে হবে।আন্দোলনরত বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী রাজিব বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সব দাবি মেনে নেওয়া না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা দ্রুত দাবিগুলোর বাস্তবায়ন চাই।’আরেক শিক্ষার্থী ভূমিকা সরকার বলেন, ‘আমরা এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে রাস্তা মেরামতসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়েছি। কিন্তু সেগুলো পূরণ হয়নি। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সব খরচ প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের সব যৌক্তিক দাবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যত দ্রুত সম্ভব মেনে নেবে। আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করছি।’