ঋতুপর্ণার ‘অলিম্পিক গোলে’ ফাইনালে বাংলাদেশ
ঋতুপর্ণার ‘অলিম্পিক গোলে’ ফাইনালে বাংলাদেশনেপালের বিপক্ষে শুরুটা ছিল ছন্নছাড়া। তবে সেই শঙ্কা দূর করেন বাংলার মেসি খ্যাত ঋতুপর্ণা চাকমা। তার নেওয়া কর্নার কিক থেকে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায় বল—যা ফুটবলে ‘অলিম্পিক গোল’ নামে পরিচিত।ম্যাচের ৪৫ মিনিটে করা এই দুর্দান্ত গোলেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। কর্নার কিক থেকে কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই সরাসরি বল জালে প্রবেশ করলে তাকে ‘অলিম্পিক গোল’ বলা হয়। এমন গোল তুলনামূলকভাবে বিরল এবং এর জন্য নিখুঁত দক্ষতা, বলের স্পিন ও সঠিক লক্ষ্যভেদের প্রয়োজন হয়।‘অলিম্পিক গোল’ শব্দটির প্রচলন শুরু হয় ১৯২৪ সালে। আর্জেন্টিনার ফুটবলার সিজারেও ওনজারি কর্নার থেকে সরাসরি উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করলে সেটিকে ‘গোল অলিম্পিকো’ বলা হয়। পরে সেটিই বিশ্ব ফুটবলে ‘অলিম্পিক গোল’ নামে পরিচিতি পায়।
ঋতুপর্ণার সেই দুর্দান্ত গোলেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। টানা তৃতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া দলটি এখন ফাইনালে। ৬ জুন শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ভারত অথবা ভুটান।