নবীপ্রেমে মুখর দেশ, বিভিন্ন স্থানে জশনে জুলুস
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশজুড়ে জশনে জুলুস, পটিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনপবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এসব জুলুসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলো পরিণত হয় উৎসবমুখর জনসমুদ্রে।এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের পটিয়ায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস। আমির ভাণ্ডার কমপ্লেক্স ও আমির ভাণ্ডার সংসদের ব্যবস্থাপনায় সকাল ৯টায় আমির ভাণ্ডার দরবার থেকে জুলুসটি বের হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।জুলুসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। এ সময় আমির ভাণ্ডার কমপ্লেক্স ও সংসদের নেতৃবৃন্দ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।জুলুসে অংশগ্রহণকারীরা দরুদ, নাতে রাসুল ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা। অনেকের হাতে ছিল ধর্মীয় বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও পতাকা।আমির ভাণ্ডার দরবার থেকে বের হয়ে জুলুসটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হয়ে পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সড়কের দুই পাশে স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিও দেখা যায়।জুলুসে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে পৃথিবীতে আগমন করেছেন। তাঁর জীবন ও আদর্শে সত্য, ন্যায়, দয়া, ক্ষমা, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার শিক্ষা রয়েছে।আয়োজকেরা বলেন, জশনে জুলুসের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর জীবন ও মহান আদর্শ মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বার্তা দেওয়া হয়।
পরে জুলুসটি আমির ভাণ্ডার দরবারে ফিরে শেষ হয়। কর্মসূচি শেষে দেশ, জাতি, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।