ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের কর্মসূচি, সোমবারও অবস্থানের ঘোষণা
রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেওয়া সচেতন গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজকের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। দুপুর ১টার দিকে তারা সরে যান। তবে দুই পক্ষই আগামীকাল সোমবার আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাংক পাড়ায় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রোববার সকাল ১০টা থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের প্রভাবমুক্ত রাখা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ করেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। অন্যদিকে, চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নেন ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ বিষয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, যেকোনো আন্দোলন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এবং এমন স্থানে করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে, যেখানে মানুষের যাতায়াত ও জনদুর্ভোগ কম।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের কর্মসূচি চলছে। চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে ব্যাংকের ভেতরে গেছে। তারা স্মারকলিপি দিয়ে চলে এলে আজকের জমায়েত শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিসি হারুন আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জমায়েত হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে অতিরিক্ত বিশৃঙ্খলা ও হতাহতের আশঙ্কা থাকে। তাই পুলিশ এ ধরনের জমায়েত নিরুৎসাহিত করছে।
ইসলামী ব্যাংককেন্দ্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচির সংযোগের তথ্য পাওয়া গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যাংক পাড়ায় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।