ঢাকা    বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
RTN News

বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার


প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার
নুরুল ইসলাম সাজল। ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় এক নারীর স্বামী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার করা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হাই। তিনি বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম সাজল চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি এবং জারুলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের মালিক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও নূরুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা। ওই নারী তাঁর স্বামী ও সন্তানের জন্য ওষুধ কিনতে নূরুল ইসলামের ফার্মেসিতে যেতেন। এ সুযোগে নূরুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি পরিবারের মুরব্বিদের জানানো হলে তাঁরা নূরুল ইসলামকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। এরপরও তিনি ওই নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার দিকে বিদ্যুৎ না থাকায় ওই নারী ঘরের জানালা খুলে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় নূরুল ইসলাম কৌশলে জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই নারীর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে নূরুল ইসলামকে আটক করেন।

পরে নূরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে মিজান মিয়াকে কল করলে তিনি আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে তাকে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর নূরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী মিজান ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা বা বিচার-সালিস না করার জন্য ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ইদ্রিস আলী বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ৬ আগস্ট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর জরুরি সাংগঠনিক সভায় নূরুল ইসলাম সাজলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে মামলায় করা অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম সাজলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বিষয় : জেলার খবর সিলেট বিভাগ ধর্ষণ জামায়াত হবিগঞ্জ প্রতিবন্ধী চুনারুঘাট

RTN News

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় এক নারীর স্বামী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার করা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হাই। তিনি বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম সাজল চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি এবং জারুলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের মালিক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও নূরুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা। ওই নারী তাঁর স্বামী ও সন্তানের জন্য ওষুধ কিনতে নূরুল ইসলামের ফার্মেসিতে যেতেন। এ সুযোগে নূরুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি পরিবারের মুরব্বিদের জানানো হলে তাঁরা নূরুল ইসলামকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। এরপরও তিনি ওই নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার দিকে বিদ্যুৎ না থাকায় ওই নারী ঘরের জানালা খুলে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় নূরুল ইসলাম কৌশলে জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই নারীর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে নূরুল ইসলামকে আটক করেন।

পরে নূরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে মিজান মিয়াকে কল করলে তিনি আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে তাকে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর নূরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী মিজান ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা বা বিচার-সালিস না করার জন্য ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ইদ্রিস আলী বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ৬ আগস্ট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর জরুরি সাংগঠনিক সভায় নূরুল ইসলাম সাজলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে মামলায় করা অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম সাজলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


RTN News

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪
বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা বহিষ্কার
0:00 0:00
1.0x