পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করেন। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ঈদের দিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় ও ধর্মীয় বিধান রয়েছে, যেগুলো যথাযথভাবে পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঈদুল আজহার দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং পরিপাটি পোশাক পরা সুন্নত। এরপর ঈদগাহ বা মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত ওয়াজিব ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। নামাজ শেষে খুতবা শোনা গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত।
ঈদের নামাজের পরই শুরু হয় কোরবানির মূল কার্যক্রম। সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুস্থ ও শরিয়তসম্মত পশু আল্লাহর নামে জবাই করতে হয়। সাধারণত ১০ জিলহজ ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত কোরবানি করা যায়।
কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা আবশ্যক। ইসলামী বিধান অনুযায়ী পশুর গোশত তিন ভাগে ভাগ করে আত্মীয়স্বজন, গরিব-দুঃখী ও নিজের পরিবারের মধ্যে বণ্টন করা উত্তম।
এছাড়া কোরবানির দিন তাকবিরে তাশরিক পাঠ, বেশি বেশি দোয়া-দরুদ পড়া, আত্মীয়দের খোঁজখবর নেওয়া এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ধর্মীয় অনুশাসন মেনে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে কোরবানি সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক চিন্তাবিদরা।