ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
RTN News

ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ


প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ
জুমরাতুন নেসা বর্ষা ও নাবিদ হোসেন

ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মণিপুরিপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে জুমরাতুন নেসা বর্ষা (২৪) নামের এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, নির্যাতনের সময় ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন বর্ষা। পরে তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে নিথর অবস্থায় দেখতে পান তাঁর বাবা। এ ঘটনায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় বর্ষার স্বামী নাবিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের। পরিবারের সদস্যদের সামনে স্ত্রীকে মারধরের সময় নাবিদ হোসেন হুমকি দিয়ে বলছিলেন, ‘তোরে মাইরা ফালামু!’ নির্যাতনের একপর্যায়ে বর্ষা শ্বশুরবাড়ির এক সদস্যকে তাঁর বাবাকে ফোন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। বারবার আকুতি জানাতে থাকলে তাঁকে আবারও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওই রাতে নিজের মোবাইল ফোন থেকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে মাকে ভিডিও কল করেন বর্ষা। এ সময় বাবার সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। ভিডিও কলে বর্ষার ছোট বোন মেঘা দেখতে পান, তাঁর গলা দিয়ে রক্ত ঝরছে। বড় বোনের রক্তাক্ত শরীরের একটি স্ক্রিনশটও সংরক্ষণ করেন তিনি।

এ দৃশ্য দেখে লালবাগের আতশি খান লেনের বাসা থেকে মণিপুরিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন বর্ষার বাবা শেখ মানোয়ার হোসেন মান্না। রাত সোয়া ১২টার দিকে নাবিদের বাড়ির সামনে পৌঁছে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বর্ষাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, হত্যার সন্দেহ পুলিশের

পুলিশ জানিয়েছে, বর্ষার গলা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাবিদের পরিবারের সদস্যরা বর্ষার আত্মহত্যার দাবি করেছেন। তবে মরদেহের আঘাতের চিহ্ন ও পারিপার্শ্বিক আলামত দেখে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ হচ্ছে। আত্মহত্যার ক্ষেত্রে গলায় সাধারণত যে ধরনের চিহ্ন থাকে, বর্ষার গলার চিহ্ন তার সঙ্গে ভিন্ন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, যৌতুকের দাবিতে এর আগেও বর্ষাকে কয়েক দফা নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই নির্যাতনের অভিযোগ

বর্ষার চাচা জাকির হোসেন জানান, তেজগাঁও কলেজে পড়ার সময় বর্ষার সঙ্গে মণিপুরিপাড়ার বাসিন্দা নাবিদের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর আগে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

জাকির হোসেনের অভিযোগ, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই বর্ষার ওপর নির্যাতন শুরু করেন নাবিদ। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে নাবিদকে একটি মোটরসাইকেলসহ কয়েক দফায় নগদ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।

তিনি আরও জানান, কয়েক মাস আগে মারধরে বর্ষা গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথা, চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনার পর বর্ষার পরিবার বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে এনে লালবাগে বাবার বাসায় রাখা হয়।

পরে দুই সপ্তাহ আগে বর্ষার শাশুড়ি সেখানে গিয়ে তাঁর ছেলে আর নির্যাতন করবে না বলে আশ্বাস দেন। সেই প্রতিশ্রুতির পর বর্ষাকে আবারও মণিপুরিপাড়ার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

চাচার ভাষ্য, নাবিদ নিয়মিত তেমন কোনো আয় করতেন না। বিয়ের পর পরিবার জানতে পারে, তিনি নেশাগ্রস্ত। তাঁর বাবার চারতলা বাড়ি রয়েছে এবং বাড়িভাড়ার টাকায় সংসার চলে। একই ফ্ল্যাটে মা-বাবা, ভাই ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন নাবিদ।

মঙ্গলবার রাতে বর্ষা নির্যাতনের শিকার হয়ে মা-বাবাকে ফোনে বাঁচানোর আকুতি জানান। তবে তাঁর বাবা বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মেয়েকে হারাতে হয়।

তিন বোনের মধ্যে মেজ ছিলেন বর্ষা

বর্ষার স্বজনেরা জানান, তাঁর বাবা পুরান ঢাকায় বাড়ি কেনাবেচার কাজ করেন। তিন বোনের মধ্যে বর্ষা ছিলেন মেজ। পুরান ঢাকার নিজেদের বাড়িতে মা-বাবা ও বোনদের সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল আজিমপুর কবরস্থানে বর্ষার মরদেহ দাফন করা হয়।

স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে ৯৯৯-এ হাজারো কল

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ আসা কলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে ১৮ হাজার ৬২৬টি কল এসেছিল। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৩৩টি, যার মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ ছিল ১১ হাজার ৪১৮টি।

২০২৩ সালে মোট ২৬ হাজার ৭৯৮টি কলের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৯ হাজার ৯১৩টি। ২০২২ সালে ২১ হাজার ৭১২টি কলের মধ্যে এ ধরনের অভিযোগ ছিল ৬ হাজার ৫৬০টি। আর ২০২১ সালে ১২ হাজার ১৬৯টি অভিযোগের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৩ হাজার ৩৪৮টি।

বর্ষার মৃত্যুর ঘটনা আবারও পারিবারিক নির্যাতন ও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিষয় : হত্যা যৌতুকে দাবিতে নির্যাতন

RTN News

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মণিপুরিপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে জুমরাতুন নেসা বর্ষা (২৪) নামের এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, নির্যাতনের সময় ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন বর্ষা। পরে তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে নিথর অবস্থায় দেখতে পান তাঁর বাবা। এ ঘটনায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় বর্ষার স্বামী নাবিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের। পরিবারের সদস্যদের সামনে স্ত্রীকে মারধরের সময় নাবিদ হোসেন হুমকি দিয়ে বলছিলেন, ‘তোরে মাইরা ফালামু!’ নির্যাতনের একপর্যায়ে বর্ষা শ্বশুরবাড়ির এক সদস্যকে তাঁর বাবাকে ফোন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। বারবার আকুতি জানাতে থাকলে তাঁকে আবারও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওই রাতে নিজের মোবাইল ফোন থেকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে মাকে ভিডিও কল করেন বর্ষা। এ সময় বাবার সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। ভিডিও কলে বর্ষার ছোট বোন মেঘা দেখতে পান, তাঁর গলা দিয়ে রক্ত ঝরছে। বড় বোনের রক্তাক্ত শরীরের একটি স্ক্রিনশটও সংরক্ষণ করেন তিনি।

এ দৃশ্য দেখে লালবাগের আতশি খান লেনের বাসা থেকে মণিপুরিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন বর্ষার বাবা শেখ মানোয়ার হোসেন মান্না। রাত সোয়া ১২টার দিকে নাবিদের বাড়ির সামনে পৌঁছে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বর্ষাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, হত্যার সন্দেহ পুলিশের

পুলিশ জানিয়েছে, বর্ষার গলা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাবিদের পরিবারের সদস্যরা বর্ষার আত্মহত্যার দাবি করেছেন। তবে মরদেহের আঘাতের চিহ্ন ও পারিপার্শ্বিক আলামত দেখে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ হচ্ছে। আত্মহত্যার ক্ষেত্রে গলায় সাধারণত যে ধরনের চিহ্ন থাকে, বর্ষার গলার চিহ্ন তার সঙ্গে ভিন্ন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, যৌতুকের দাবিতে এর আগেও বর্ষাকে কয়েক দফা নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই নির্যাতনের অভিযোগ

বর্ষার চাচা জাকির হোসেন জানান, তেজগাঁও কলেজে পড়ার সময় বর্ষার সঙ্গে মণিপুরিপাড়ার বাসিন্দা নাবিদের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর আগে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

জাকির হোসেনের অভিযোগ, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই বর্ষার ওপর নির্যাতন শুরু করেন নাবিদ। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে নাবিদকে একটি মোটরসাইকেলসহ কয়েক দফায় নগদ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।

তিনি আরও জানান, কয়েক মাস আগে মারধরে বর্ষা গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথা, চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনার পর বর্ষার পরিবার বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে এনে লালবাগে বাবার বাসায় রাখা হয়।

পরে দুই সপ্তাহ আগে বর্ষার শাশুড়ি সেখানে গিয়ে তাঁর ছেলে আর নির্যাতন করবে না বলে আশ্বাস দেন। সেই প্রতিশ্রুতির পর বর্ষাকে আবারও মণিপুরিপাড়ার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

চাচার ভাষ্য, নাবিদ নিয়মিত তেমন কোনো আয় করতেন না। বিয়ের পর পরিবার জানতে পারে, তিনি নেশাগ্রস্ত। তাঁর বাবার চারতলা বাড়ি রয়েছে এবং বাড়িভাড়ার টাকায় সংসার চলে। একই ফ্ল্যাটে মা-বাবা, ভাই ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন নাবিদ।

মঙ্গলবার রাতে বর্ষা নির্যাতনের শিকার হয়ে মা-বাবাকে ফোনে বাঁচানোর আকুতি জানান। তবে তাঁর বাবা বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মেয়েকে হারাতে হয়।

তিন বোনের মধ্যে মেজ ছিলেন বর্ষা

বর্ষার স্বজনেরা জানান, তাঁর বাবা পুরান ঢাকায় বাড়ি কেনাবেচার কাজ করেন। তিন বোনের মধ্যে বর্ষা ছিলেন মেজ। পুরান ঢাকার নিজেদের বাড়িতে মা-বাবা ও বোনদের সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল আজিমপুর কবরস্থানে বর্ষার মরদেহ দাফন করা হয়।

স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে ৯৯৯-এ হাজারো কল

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ আসা কলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে ১৮ হাজার ৬২৬টি কল এসেছিল। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৩৩টি, যার মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ ছিল ১১ হাজার ৪১৮টি।

২০২৩ সালে মোট ২৬ হাজার ৭৯৮টি কলের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৯ হাজার ৯১৩টি। ২০২২ সালে ২১ হাজার ৭১২টি কলের মধ্যে এ ধরনের অভিযোগ ছিল ৬ হাজার ৫৬০টি। আর ২০২১ সালে ১২ হাজার ১৬৯টি অভিযোগের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৩ হাজার ৩৪৮টি।

বর্ষার মৃত্যুর ঘটনা আবারও পারিবারিক নির্যাতন ও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।


RTN News

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪
ভিডিও কলে মা-বাবার কাছে বাঁচার আকুতি, পরে মিলল বর্ষার নিথর দেহ
0:00 0:00
1.0x