ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
RTN News

ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো


প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো
ছবির ক্যাপশান, ফেসবুক লাইভে এমন মন্তব্য করেছিলেন সাথী আক্তার

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো জোটেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট গণনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ইসরায়েলে কোনো দল এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সাধারণত জোট সরকার গঠন করতে হয়।

ভোট গণনার প্রাথমিক চিত্রে কোনো জোটই প্রয়োজনীয় আসন পাবে কি না, তা স্পষ্ট হয়নি। এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট দুজনই তাঁদের সমর্থকদের সামনে বক্তব্য দিয়েছেন এবং সরকার গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

নেতানিয়াহু তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ডানপন্থি জোটের পক্ষে জনসমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তিনি একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী ও ডানপন্থি সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তবে সরাসরি নির্বাচনে বিজয় দাবি করেননি।

অন্যদিকে, আইজেনকোট দাবি করেন, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল রাখার বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। তিনি সহযোগীদের নিয়ে স্থিতিশীল সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণের রায় বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

যেভাবে সরকার গঠিত হবে ইসরায়েলে

ভোট গণনা শেষে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশটির প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর যাঁর সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে হবে, তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

প্রাথমিকভাবে ওই প্রার্থী জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য কোনো প্রার্থীকে সুযোগ দিতে পারেন।

পরবর্তী প্রচেষ্টাগুলোও ব্যর্থ হলে নতুন নির্বাচনের পথ খুলে যেতে পারে। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জোট গঠনে বারবার ব্যর্থতার কারণে ইসরায়েলে পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০২২ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ১২০ আসনের মধ্যে ৩২টি আসন পেয়ে বৃহত্তম দলে পরিণত হয়। পরে কয়েকটি কট্টর ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট গঠন করে তাঁর নেতৃত্বাধীন জোট ৬৪টি আসন নিশ্চিত করেছিল।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

RTN News

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো জোটেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট গণনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ইসরায়েলে কোনো দল এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সাধারণত জোট সরকার গঠন করতে হয়।

ভোট গণনার প্রাথমিক চিত্রে কোনো জোটই প্রয়োজনীয় আসন পাবে কি না, তা স্পষ্ট হয়নি। এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট দুজনই তাঁদের সমর্থকদের সামনে বক্তব্য দিয়েছেন এবং সরকার গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

নেতানিয়াহু তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ডানপন্থি জোটের পক্ষে জনসমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তিনি একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী ও ডানপন্থি সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তবে সরাসরি নির্বাচনে বিজয় দাবি করেননি।

অন্যদিকে, আইজেনকোট দাবি করেন, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল রাখার বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। তিনি সহযোগীদের নিয়ে স্থিতিশীল সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণের রায় বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

যেভাবে সরকার গঠিত হবে ইসরায়েলে

ভোট গণনা শেষে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশটির প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর যাঁর সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে হবে, তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

প্রাথমিকভাবে ওই প্রার্থী জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য কোনো প্রার্থীকে সুযোগ দিতে পারেন।

পরবর্তী প্রচেষ্টাগুলোও ব্যর্থ হলে নতুন নির্বাচনের পথ খুলে যেতে পারে। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জোট গঠনে বারবার ব্যর্থতার কারণে ইসরায়েলে পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০২২ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ১২০ আসনের মধ্যে ৩২টি আসন পেয়ে বৃহত্তম দলে পরিণত হয়। পরে কয়েকটি কট্টর ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট গঠন করে তাঁর নেতৃত্বাধীন জোট ৬৪টি আসন নিশ্চিত করেছিল।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


RTN News

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪
ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো
0:00 0:00
1.0x