প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি: কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ মা
||
পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি: কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ মাপিরোজপুরের নেছারাবাদে পূজা দেখে পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে খেয়াট্রলারডুবির ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার মা রিনা বেপারী (৩৮)। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ছয়টি মোটরসাইকেলও নদীতে তলিয়ে গেছে।সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, নেছারাবাদের ভরতকাঠি খেয়াঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর সময় ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়।জানা গেছে, সাইদুল নামের এক ব্যক্তির পরিচালিত খেয়াট্রলারে ৮০ জনের বেশি যাত্রী এবং ছয়টি মোটরসাইকেল তোলা হয়েছিল। ট্রলারডুবির পর যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। অনেকেই সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও শংকর বেপারীর স্ত্রী রিনা বেপারী ও মেয়ে আর্দ্রিতা নিখোঁজ হন।শংকর বেপারী জানান, পূজা দেখে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ট্রলার ডুবে গেলে তিনি সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও স্ত্রী ও মেয়েকে আর খুঁজে পাননি।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর ১৩ বছর বয়সী আর্দ্রিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মা রিনা বেপারীর সন্ধান মেলেনি।স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফোরকান গাজী জানান, রিনা বেপারী ও তাঁর মেয়ে নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। পূজা উপলক্ষে তাঁরা বিকেলে শ্রীরামকাঠিতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাতে ঘাটে ট্রলারের সংখ্যা কম থাকায় যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। পূজার সময় অতিরিক্ত ট্রলারের ব্যবস্থা থাকলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার তথ্য তিনি পেয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিখোঁজ রিনা বেপারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪