প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
রাবি গ্রন্থাগারে মারধর: রাকসু জিএস-এজিএসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
||
রাবি গ্রন্থাগারে মারধর: রাকসু জিএস-এজিএসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলারাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে এক শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধরের ঘটনায় রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ ৯ জন রাকসু ও ছাত্রশিবির নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। এ মামলায় আরও ১৭-১৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহী জেলার মতিহার থানা আমলি আদালতে আহত শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের বাবা এম. এস. আজাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।বাদীপক্ষের আইনজীবী হযরত আলী জানান, আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে দিয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব এবং সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অবস্থানকালে ১৯-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে মাহমুদুল হাসানের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং একপর্যায়ে মাটিতে ফেলে শ্বাসরোধেরও চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুললেও সেখান থেকেও নামিয়ে আবার মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পরদিন মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।ভুক্তভোগীর বাবা এম. এস. আজাদ উজ জামান দাবি করেন, হামলার খবর তিনি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান। তিনি অভিযোগ করেন, থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।উল্লেখ্য, গত সোমবার কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে মাহমুদুল হাসান মাহিনসহ তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে মাহমুদুল ও আরেক শিক্ষার্থী আনাস আহম্মেদকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর শাহ মখদুম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি আগের মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।
তবে মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪