প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু’
||
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু’আন্তর্জাতিক ডেস্কজর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, হামলায় ঘাঁটির জ্বালানি ডিপো ও গোলাবারুদ সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে গেছে এবং এতে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ ও প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। এটিকে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ইরানের সমন্বিত প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম ধাপ বলেও উল্লেখ করেছে আইআরজিসি।সংস্থাটির দাবি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়ার সক্ষমতার বার্তা দেওয়া হয়েছে।আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, একই সময়ে কুয়েতে একটি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, গোলাবারুদ ডিপো ও রাডার স্থাপনা এবং বাহরাইনের যোগাযোগ ও রাডার কেন্দ্রেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজের ‘অবৈধ চলাচল’ ঠেকানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূলীয় ঘাঁটি ও দক্ষিণাঞ্চলের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোতে হামলা চালায়। এরই প্রতিক্রিয়ায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আরও কোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইরানের জবাব হবে আরও কঠোর ও ব্যাপক। তাদের ভাষ্য, প্রতিশোধমূলক অভিযান এখনও চলমান রয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে, হামলার পর প্রকাশিত কিছু স্যাটেলাইট ছবিতে প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি করা হলেও, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪