ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
RTN News

সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক


প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক

সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক

দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন সবজি ও ফলে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের ব্যবহার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী, সবজিতে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ এবং ফলে ৪ শতাংশ বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া খেজুরে ৫ শতাংশ ও শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. নির্মল কুমার দত্ত। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, দেশে দিন দিন কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ছে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড় রাসায়নিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এতে ফসল রক্ষায় আরও বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উপকারী পোকামাকড়ও মারা যাচ্ছে। এর ফলে ক্ষতিকর পোকার বিস্তার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশে নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে বলেও জানান তিনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বারির পরিচালক জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় আট হাজার ধরনের কীটনাশক অনুমোদিত রয়েছে। এর মধ্যে যাচাই করে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে।

কর্মশালায় বক্তারা নকল ও নিম্নমানের বালাইনাশক ব্যবহারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, নিম্নমানের বালাইনাশক ব্যবহারে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় কৃষকেরা আরও বেশি পরিমাণে রাসায়নিক ব্যবহার করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

বিষয় : অস্বাস্থ্যকর সবজি কীটনাশক

RTN News

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক

দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন সবজি ও ফলে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের ব্যবহার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী, সবজিতে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ এবং ফলে ৪ শতাংশ বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া খেজুরে ৫ শতাংশ ও শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. নির্মল কুমার দত্ত। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, দেশে দিন দিন কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ছে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড় রাসায়নিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এতে ফসল রক্ষায় আরও বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উপকারী পোকামাকড়ও মারা যাচ্ছে। এর ফলে ক্ষতিকর পোকার বিস্তার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশে নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে বলেও জানান তিনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বারির পরিচালক জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় আট হাজার ধরনের কীটনাশক অনুমোদিত রয়েছে। এর মধ্যে যাচাই করে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে।

কর্মশালায় বক্তারা নকল ও নিম্নমানের বালাইনাশক ব্যবহারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, নিম্নমানের বালাইনাশক ব্যবহারে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় কৃষকেরা আরও বেশি পরিমাণে রাসায়নিক ব্যবহার করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।


RTN News

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আহসান উল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর টি এন নিউজ ২৪
সবজি ও শুঁটকিতে মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক
0:00 0:00
1.0x